বাংলা জোকস

বাংলা জোকস : আপনাদের জন্য আমি অনেক সুন্দর সুন্দর ও মজার বাংলা জোকস অথবা হাসির কৌতুক নিয়ে এসেছি। আশা করছি আপনাদের কাছে অনেক ভালো লাগবে।         আরো পড়ুন>>> হাসির কবিতা

বাংলা জোকস

বাংলা জোকস্.

শিক্ষক : আচ্ছা বলো তো
বিদ্যুৎ চমকালে আলো
আগে দেখতে পাই কিন্তু শব্দ
 পরে শুনতে পাই কেন ? ছাত্র : স্যার এইটা সোজা
শিক্ষক : তা হলে উওরটা বলো দেখি !
ছাত্র : স্যার আলো আগে দেখার কারন
হলো চোখ আমাদের কানের চার আঙুল
সামনে আছে তাই ।

হাসির কৌতুক

শিক্ষক শ্রেণীকক্ষে পড়াচ্ছেন-রক্ত মানুষের
শরীরের অন্যতম প্রয়োজনীয় উপাদান।
রক্ত দান করা মানুষের ভাল গুলাবলীর মধ্যে একটি।
শিক্ষক : সাঈদ তুই কি কখনো কাউকে সত ইচ্ছায়
রক্ত দান করেছিস ?
সাঈদ : কি যে বলেন স্যার , আমি তো প্রতিদিনই
বিনামূল্যে রক্ত দান করি ।
শিক্ষক : বলিস কিরে ? এতো রক্ত কাকে দিস ?
সাঈদ : কেন স্যার মশাকে !

বাংলা জোকস্ ছবি

শিক্ষক : রাজু তুমি মিথ্যে বলছো কেন ?
কাল রাত দুইটার দিকে বিদ্যুৎ ছিলো না
অথচ তুমি বলছো সে সময় তুমি পড়ালেখা
করেছো কিন্তু কিভাবে ?
রাজু : আসলে স্যার হয়েছে কি , কাল রাতে
পড়ালেখায় এতোই মগ্ন ছিলাম যে কখন বিদ্যুৎ
চলে গেছে বুঝতেই পেলাম না !!!

 

মজার জোকস্বাবা : পরিক্ষা কেমন হলো ?
ছেলে : একটি প্রশ্ন ভুল হয়েছে ।
বাবা : বেশ , বেশ । বাকিগুলো ?
ছেলে : বাকিগুলো তো লিখতেই পারিনি ।

দম ফাটা ছোট ছোট হাসির জোকস্

এক পাগল চিঠি লিখছিল । এক পথচারি
তাকে জিঙ্গেস করলো , তুমি কি লিখছো ?
পাগল : চিঠি লিখছি ।
পথচারি : কাকে চিঠি লিখছো ?
পাগল : আমাকে !
পথচারি : তা বুঝতে পারলাম তো 
কি লিখছো চিঠিতে ?
পাগল : চিঠিটা আগে আমার কাছে আসুক
তারপর বলতে পারবো কি লিখছি !!!

বাংলা জোকস এসএমএস

কর্তা : যাতো পটল একটা খালি ট্যাক্সি নিয়ে আয় ।
কিছুক্ষণ পর পটল এসে বলে স্যার একটাও খালি
ট্যাক্সি পেলাম না ড্রাইভারের সীটে কেউ না কেউ
বসে আছে !!!

বাংলা হাসির জোকস্

সেন্টূ একটা ব্যাগ হাতে নিয়ে রাস্তা দিয়ে হেটে
যাচ্ছিলো পথের মধ্যে হঠাৎ মন্টূর সাথে দেখা
হলো !
মন্টূ : ব্যাগের ভিতর কী আছেরে ?
সেন্টূ : পেয়ারা ।
মন্টূ : একটা দেনা ভাই । অনেক দিন হলো পেয়ারা খাই না ।
সেন্টূ : আহা ! কয়টা আছে বলতে পারলে তিনটাই দিয়ে দিব ।

বাংলা কৌতুক

একদা এক ব্যাক্তি বাসে উঠতে না পেরে বাসের পেছনে দৌড়াদে
দৌড়াতে তাঁর গন্তব্যে পৌছে গেল তারপর !
প্রথম ব্যাক্তি : জানিস আজ আমার ১৫ টাকা বেঁচে গেল !
দ্বিতীয় ব্যাক্তি : কিভাবে ?
প্রথম ব্যাক্তি : আজ বাসে না উঠে ওটার পেছনে দৌড়াতে
দৌড়াতে চলে এসেছি !
দ্বিতীয় ব্যাক্তি : তুই একটা আস্ত বোকা , তুই বাসের পিছনে না
দৌড়ে তুই যদি একটি সি এন জির পিছনে দৌড়ালে তোর ১০০
টাকা বাঁচতো  !!!

মজার কৌতুক

বল্টূ : আচ্ছা চাচা , এতো বড় বড় বিমান রঙ করে কিভাবে ?
চাচা : আরে বোকা জানিস না , যখন বিমান আকাশে উঠে তখন
তো বিমান ছোট হয়ে যায় তখন রঙ করে  !!!

বাংলা জোকস

শান্ত একবার মন খারাপ করে বসে আছে ! ওর বাবা বললেন, কীরে, মন খারাপ কেন ? শান্ত কিছুতে কিছু বলে না, একদম চুপ ! বাবা কাঁধে হাত রেখে বললেন, আরে বল ! মনে কর আমি তোর বাবা না তোর বন্ধু ! এবার শান্ত মুখ খুললো, আরে বলিস না ভাই ! গতকাল আমারটাকে নিয়ে ঘুরতে বেরিয়েছিলাম ! তোরটা দেখে ফেলছে ! তারপর আমাকে কি মারটাই না মারল !!!!

 

রবিন আমার সিংহের মুখোমুখি হওয়ার ঘটনাটা তোকে বলেছিলাম ?

সালেকঃ নাতো, কী হয়েছিল ?

রবিনঃ সঙ্গে বন্ধূক নেই, সিংহটা সমানে গর্জাচ্ছে, এগিয়ে আসছে….!

সালেকঃ বলিস কিরে,,,, তারপর কি হলো,,,,

রবিনঃ বানর দেখতে পাশের খাঁচায় চলে গেলাম !!!!

 

বাবাঃ তোকে না বলেছিলাম পাস করলে সাইকেল কিনে দেব ! তবু ফেল করলি ! পড়া বাদ দিয়া কী করছিলি ?

ছেলেঃ সাইকেল চালানো শিখছিলাম !!

 

এক লোক দাঁতের ব্যাথায় অতিষ্ট হয়ে ডাক্তারের কাছে এসেছে !

রোগীঃ ডাক্তার সাহেব আমাকে তাড়াতাড়ি ঔষধ দেন দাঁতের ব্যাথায় রাতে ঘুমাতে পারি না !!

ডাক্তারঃ ভাল ! আপনাকেই তো আমি খুঁজতেছি !

রোগীঃ কেন ?

ডাক্তারঃ আমার একজন নাইট গার্ড লাগবে !!

 

হাতে সেলাই দেওয়া লাগবে ! অপারেশন টেবিলে শুয়ে রোগী কাতর চোখে ডাক্তারকে বলল, ডাক্তার সাহেব একটা কথা আছিল !!

ডাক্তারঃ কী কথা বুঝতে পেরেছি আর বলতে হবে না, সেলাইয়ের সময় যেন ব্যথা না দিই এই তো ?

রোগীঃ না না, তা নয় ডাক্তার সাহেব, সেলাই তো ভালোমতো করবেনই, লগে আমার শার্টের হাতার বোতামটাও একটু সিলাইয়া দিয়েন, ছুইটা গ্যাছে !!!!

 

ছেলেঃ আচ্ছা মা, তোমার চুল এত সাদা কেন ?

মাঃ ছেলেমেয়ে দুষ্টূ হলে বাবা-মায়ের চুল এমনি এমনি সাদা হয়ে যায় !!

ছেলেঃ আচ্ছা, এ জন্যই তো নানির মাথার চুল আরও বেশি সাদা !!!!

 

এক চোর চুরি করতে গিয়ে সেলফি তুলে পোষ্ট দিল, এই মাত্র চুরি করতে ডুকলাম ! বাড়ির মালিক চোরের পোষ্টে লাইক দিয়ে কমেন্টস করল, ভেবো না আমরা ঘুমিয়ে পড়েছি, আমরা সবাই জাগ্রত আছি !! পুলিশকে খবর দেওয়া হয়ে গেছে, তারা গাড়ি নিয়ে আসছে ! বাড়ির মালিকের কমেন্টসে লাইক দিয়ে ইন্সপেক্টর আবুল কমেন্টস দিলেন, গাড়ি নষ্ট হয়ে গেছে, আমরা হেঁটে হেঁটে আসতেছি !!!!

 

ঘটকঃ আপনার ছেলের জন্য খুব মিষ্টি একটা মেয়ে পেয়েছি !

অভিভাবকঃ তাহলে তো ওই মেয়েতে আমাদের হবে না !

ঘটকঃ কেন হবে না ?

অভিভাবকঃ আমাদের ছেলের ডায়াবেটিস আছে তো তাই !!

 

শিক্ষকঃ I LOVE YOU কথাটি কে আবিস্কার করেছে ?

ছাত্রঃ স্যার, চায়না কোম্পানি !

শিক্ষকঃ কীভাবে ?

ছাত্রঃ এর কোনো গ্যারান্টি নেই, কোয়ালিটিও নেই! টিকলে সারাজীবন টিকে যায়, না টিকলে ২ দিনও টিকে না !!!!

 

মা নালায়েক ! তুই আবার ফেল করেছিস ? পাশের বাসার রুমকীকে দেখ, কত্ত ভালো রেজাল্ট করেছে ও !

ছেলেঃ ওকে আর নতুন করে কী দেখব ? পরীক্ষার হলে বসে বসে ওকে দেখছিলাম বলেই তো আজ এই দশা !!!!

 

এক মাতাল বন্ধুদের সাথে পিকনিক করার জন্য নিজের বাড়ি থেকেই ছাগল চুরি করে নিয়ে গেল !

রাতভর খুব আনন্দ করলো ! খুব মজা করে খাওয়া দাওয়া করলো সবাই ! সকালে বাড়িতে এসে দেখলো ছাগল বাড়িতেই আছে ! স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করল, ওই ছাগল আইলো কই থিকা ?

স্ত্রীঃ আরে রাখো তোমার ছাগল ! তার আগে কও, কাল রাইতে তুমি চোরের মত আমার কুত্তাডারে লইয়া কই গেছিলা ?

 

গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড দুইজনেই পরিক্ষায় ফেইল করছে ! লজ্জা না থাকায় সেই রাতেই দুজন ফোনে কথা বলতেছে !

মেয়েঃ জান, আব্বুতো আমাকে বলছে যে পড়ালেখা বন্ধ ! আমাকে নাকি রিকশাওয়ালার সাথে বিয়ে দিবে !

ছেলেঃ চিন্তা কইরোনা, আমার বাপেও আমারে পড়ালেখা ছাইড়া রিকশা চালাইতে কইছে !!

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x
error: Content is protected !!