বড় যদি হতে চাও ছোট হও তবে ভাবসম্প্রসারণ

বড় যদি হতে চাও ছোট হও তবে ভাবসম্প্রসারণ

মূলভাবঃ সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠতে গেলে যেমন তার সর্বনিম্ন ধাপটিতেই প্রথম পা রাখতে হয়, তেমনি জীবনে বড় হতে গেলে প্রথমে ছোট হতে হয়।

ভাবসম্প্রসারণঃ বিন্দু বিন্দু জল মিলেই মহাসাগরের সৃষ্টি। অথচ মহাসাগরের পানি দেখে বিশ্বাসই করা কঠিন যে, একে ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত করা সম্ভব। প্রকৃতপক্ষে জীবন হচ্ছে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ঘটনার সম্মিলিত রূপ। এ পৃথিবীতে প্রতিটি বৃহতের পেছনে সঞ্চিত আছে ক্ষুদ্রতার ইতিহাস। পৃথিবীতে সবাই বড় হতে চায়, প্রতিষ্ঠিত হতে চায়। কিন্তু এটি সহজ কাজ নয়। একমাত্র পরিশ্রম ও নিবিড় সাধনা দ্বারাই তা সম্ভব। অনেকে রাতারাতি ধনী হবার স্বপ্নে বিভোর থাকে। কিন্তু দুই-একটি ব্যতিক্রম ছাড়া অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা হয় না। কথায় বলে-যা গড়ে ধীরে ধীরে, তা মজবুত হয়।

তাই বড় হতে হলে ধীরে ধীরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কাজের মাধ্যমে অগ্রসর হতে হবে। পাশাপাশি বড় হওয়ার জন্য যে জিনিসটি সবচেয়ে দরকার তা-হলো বিনয়ী আচরণ। অর্থাৎ নিজের অহমিকাকে বিসর্জন দিয়ে ছোটদের কাতারে এসে দাঁড়াতে হবে। তাহলেই জীবনে বড় হওয়া যাবে।

মন্তব্যঃ বড় হওয়া মানে মানুষের মাঝে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন। আর এ জন্যে দরকার নিজের স্বভাব-চরিত্র এবং কর্মের মাধ্যমে ছোটকে, ছোট কাজকে, দরিদ্রকে কাছে টেনে নেওয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

x
error: Content is protected !!