অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা না নেওয়া

অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা না নেওয়াঃ প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম ভালো লাগার মতো সব অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা না নেওয়া ষ্ট্যাটাস। আশা করছি পড়তে পেরে অনেক ভালো লাগবে।

                                                                                                 আরো পড়ুন>>> চেষ্টাই সাফল্য আনে

অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা না নেওয়া

যারা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেন না তাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। যদি সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিচার করি তাহলে ব্যর্থতা আমাদের শিক্ষকের কাজ করে। ব্যর্থতা একটু ঘুর-পথ, পথের শেষ নয়। এর ফলে সাফল্যে বিলম্ব ঘটে। কিন্তু পরাজয় ঘটে না। আমাদের ভুলগুলি আমাদের অভিজ্ঞতাকেই সমৃদ্ধ করে থাকে।

কেউ কেউ যতদিন বাঁচেন ততদিন শিখে থাকেন। কেউ আবার শুধুই বাঁচেন। জ্ঞানী ব্যক্তিরা নিজের ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহন করেন; বিজ্ঞতর ব্যক্তিরা অপরের ভুল থেকে শিক্ষা নেন। জীবন এতো দীর্ঘ নয়, যে কেবল মাত্র নিজের ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহন করলেই চলে; অপরের ভুল থেকেও শিক্ষা নিতে হয়।

সুযোগ চিনে নেওয়ার অক্ষমতা

সুযোগ অনেক সময় বিপত্তির ছব্দবেশে আসে, ফলে অনেকেই বুঝতে পারেন না। মনে রাখবেন বাধা যত বেশি, সুযোগ ও তত বেশি।

আশঙ্কা

আশঙ্কা কখনো প্রকৃত, কখনো কাল্পনিক হতে পারে। এর ফলে অনেকে উদ্ভট কাজ করে বসেন। এর প্রধান হেতু, আশঙ্কার কারণগুলিকে সম্যকভাবে অনুধাবন করতে না পারা, সব সময় ভয়ের মধ্যে থাকলে এক প্রকার ভাবাবেগের জালে জড়িয়ে পড়তে হয়।

ভয় থেকে আসে নিরাপত্তার অভাব, আত্মবিশ্বাসের অভাব এবং দীর্ঘসূত্রতা, ভয় আমাদের সম্ভাবনাও ক্ষমতাকে নষ্ট করে। আমরা সহজ ভাবে চিন্তা করতে পারি না এবং ভয়ের ফলে আমাদের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক ও স্বার্থ নষ্ট হয়, সাধারণভাবে ভয় নিম্নপ্রকারের-১. ব্যর্থতার ভয়
                                                                               ২. অজানার ভয়
                                                                               ৩. প্রস্তুত না থাকার ভয়
                                                                               ৪. ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভয়
                                                                               ৫. প্রত্যাখ্যাত হওয়ার ভয়

কতকগুলি ভয়কে ব্যাখ্যা করে বলা যায়, অন্যগুলি মনে মনে অনুভব করা যায়, ভয়ের ফলে উদ্বেগ ও তজ্জনিত অযৌক্তিক চিন্তা মনকে গ্রাস করে। ফলে সংকটের সমাধান ব্যাহত হয়, ভয়ের ফলে সাধারণ প্রতিক্রিয়া হল পলায়নী মনোভাব। এই মনোভাবের ফলে হয়ত সাময়িক স্বস্তি পাওয়া যায় এবং সমস্যাজনিত দুশ্চিন্তা কম হয় কিন্তু সমস্যা সমাধান হয় না। কাল্পনিক ভয় সমস্যাকে অনেক বড় করে আমাদের সামনে উপস্থিত করে। এরূপ আশঙ্কা বাড়তে বাড়তে মানসিক শান্তিও পারিবারিক সম্পর্ক নষ্ট করে।

ব্যর্থতার আশঙ্কা ব্যর্থতার থেকেও খারাপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। জীবনে ব্যর্থতাই সবচেয়ে দুঃখজনক অভিজ্ঞতা নয়। যে সমস্ত মানুষ চেষ্টা করবেন না তারা প্রথম থেকেই ব্যর্থ। বাচ্চারা যখন হাটতে শেখে তখন তারা মাঝে মাঝেই পড়ে যায়, কিন্তু সেই পড়ে যাওয়ার অর্থ এই নয় যে তারা হাটতে শিখবে না। তারা উঠে দাড়ায় এবং চেষ্টা করে। যদি তারা নিরাশ হয়ে চেষ্টাই ছেড়ে দিত তবে তারা কোনদিন হাটাই শিখত না। ব্যর্থতার ভয়ে হাঁটা শেখার চেষ্টা না করে হাটুমুড়ে চিরজীবন কাটানোর থেকে হাঁটা শেখার চেষ্টা করে নিজের পায়ের উপর দাঁড়িয়ে মরাও ভালো।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x
error: Content is protected !!