online income করার দশটি উপায়

online income করার দশটি উপায়ঃ আমরা সকলেই জানি এখন ইন্টারনেট যুগ । এই যুগে আমরা সকলেই চাই ঘরে বসে যাতে করে আয় উপার্জন করতে পারি আর তাই আমাদের জানা দরকার online income করার দশটি উপায় সর্ম্পকে তুলে ধরা হল । Read more >>> কাজু বাদামের উপকারিতা

online income করার দশটি উপায়

online income করার দশটি উপায়

ফ্রিল্যান্সিং করে আয়ঃ ফ্রিল্যান্সিং এর জগতে হাতে খড়ি হতে প্রয়োজন অনেক সাধনা, ত্যাগ, ধৈর্য । এর কোনটি আপনি ধরে রাখতে না পারলে সফল হওয়া সম্ভব নয়। অন লাইনে আয়ের জন্য অনেক আগ্রহ থাকার সত্বেও কিছু ভুল ধারণা মনে বাসা বেধে থাকার কারণে মাঝ পথে গিয়ে অনেকেরই ফিরে আসতে হয়। ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে হলে প্রথমেই অনেক বড় ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হবে এমন মানসিকতা নিয়েই কাজ শুরু করতে হবে।

আর্টিকেল লিখে আয়ঃ ওডেস্ক, ইল্যান্স, ফ্রিল্যান্সার ডটকমের পাশাপাশি আরও অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে আর্টিকেল লিখে ভালো আয় করা যায়। জনপ্রিয় এই মার্টেকপ্লেস ছাড়াও আরও কিছু মার্কেটপ্লেস রয়েছে সেগুলো আর্টিকেল লিখে ভালো আয় করা যায়। এই রকম তিনটি ওয়েবসাইট হলো যথাক্রমেঃ স্কুইডু, ই-কপিরাইটার্স, ট্রিওন্ড । এই তিনটি জনপ্রিয় সাইটে আপনারা চাইলে কনটেন্ট লিখে অনেক টাকা আয় করতে পারেন।

ব্যানার অ্যাডঃ যদি আপনার সাইটে ট্রাফিক অনেক বেশি হয়, তাহলে আপনি আপনার ব্লগে সরাসরি ব্যানার বিজ্ঞাপন বসিয়ে ভালো আয় করতে পারেন। আপনার ভিজিটর যত বাড়বে, আপনার অ্যাডভারটাইজার অর্থাৎ যে আপনাকে বিজ্ঞাপনটি দিয়েছেন, তিনি আপনাকে বেশি পে করতে উৎসাহিত হবেন। সেক্ষেত্রে আপনি ব্যানার বিজ্ঞাপনের জন্য কত টাকা নিবেন সেটা আপনার উপর নির্ভর করবে।

ব্যাকলিংক বিক্রিঃ ব্যাকলিংক হচ্ছে একটি সাইটের পেজর‌্যাংক বাড়ানোর মূল হাতিয়ার। একটি ওয়েবসাইটের কোন পৃষ্টায় যদি অন্য একটি সাইটের লিংক থাকে তাহলে দ্বিতীয় সাইটের জন্য এই লিংককে বলা হয় ব্যাকলিংক বা ইনকামিং লিংক।

টুইটারে আয়ঃ টুইটারে আরেকটি মজার ব্যাপার হচ্ছে আপনার যদি প্রচুর সংখ্যক ফলোয়ার বা অনুসারী থাকে, তাহলে আপনি টুইটার থেকে টাকার আয়েরও ব্যবস্থা করতে পারবেন। অবশ্য কাজটি মোটেও সহজ নয়। শুধু ফয়োয়ার থাকলেই হবে না, আপনার থাকতে হবে হিউম্যান ফলোয়ার। অর্থাৎ বট ফলোয়ার থাকলে আপনি বিভিন্ন ওয়েবসাইটে টুইটার থেকে টাকা আয়ের উদ্দেশ্যে সাইন আপ করতে পারবেন।

online income করার দশটি উপায়

ব্লগিংয়ে আয়ঃ অনলাইনে আয়ের বিভিন্ন মাধ্যম রয়েছে। এর একটি ব্লগিং। তবে ব্লগিংয়ের ক্ষেত্রেও আয়ের কয়েকটি উপায় রয়েছে। আর সেগুলো হলোঃ

১. ডিরেক্ট অ্যাডভারটাইজমেন্ট ব্যানার অ্যাড।

২. ফিচার্রড ব্লগ পোষ্ট।

৩. ব্যাকলিংক বিক্রি।

৪. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।

৫. নিবন্ধ লিখে আয় রোজগার।

৬. ব্লগে নিজের মতামত প্রকাশের জন্য টাকা।

ফিচার্রড ব্লগ পোষ্টঃ একজন ব্লগার হিসেবে অনলাইনে আয়ের একটি অন্যতম মাধ্যম ফিচার্রড ব্লগ পোষ্ট। এক্ষেত্রে একজন বিজ্ঞাপন দাতা তার পণ্য বা সেবার বিষয়ে একটি নিশ ব্লগে আর্টিকেল পাবলিশ করতে পারেন। এক্ষেত্রে তার পণ্য বা সেবার প্রসার বেশি ও কার্যকর হয়। এছাড়া পাবলিশার এখান থেকে ডুফলো ব্যাকলিংক পেতে পারেন। ফলে প্রত্যক্ষভাবেই আপনি লাভবান হবেন।

ফাইভারঃ Fiverr.com এর সাইটটির বিশেষত্ব হচ্ছে এখানে আপনি আপনার পণ্য বা সেবার বিজ্ঞাপন বিনা টাকায় দিতে পারবেন। সেই বিজ্ঞাপন গুলোকে বলা হবে গিগ। আপনার গিগ যদি কারো পছন্দ হয় তা হলে তিনি $5 এর বিনিময়ে আপনার গিগটিকে অর্ডার করতে পারেন। কারন এই সাইটের সব কাজই হয় $5 এর । এই সাইটটির ট্রাফিক অত্যন্ত বেশি (প্রায় ৪০,০০০ প্রতিদিন)। তাই বলা যায় না ভাগ্য ভালো থাকলে প্রতিদিন ২-৩ টি অর্ডার পাওয়া কোন বিষয়ই না। অনেকে ৩-৪ টি অর্ডার পায়।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংঃ অন্যের পণ্য বা সেবা প্রচার এবং প্রচারণার মাধ্যমে বিক্রি করে দেওয়া বা বিক্রি করতে সাহায্য করা এবং সেটা থেকে নির্দিষ্ট হারে কমিশন গ্রহন করা হচ্ছে একজন মার্কেটারের অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করার যত উপায় আছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে অন্যতম কার্যকরী মাধ্যম।

ফরেক্সঃ ফরেক্স হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রার ক্রয়-বিক্রয়। ফরেক্স মার্কেট এ আপনি একটি দেশের কারেন্সি ক্রয় করতে পারবেন। কোন ডলার টাকার বিপরীতে শক্তিশালী হচ্ছে, আবার কখনও টাকা ডলার এর বিপরীতে শক্তিশালী হচ্ছে। এরকম পৃথিবীর অধিকাংশ মুদ্রার বিপরীতেই হয়। এইভাবে আপনার কাছে পর্যাপ্ত ডলার অথবা ইউরো থাকে তো আপনিও ঘরে বসে ডলার ও ইউরো বিক্রি করে অনেক টাকা লাভবান হতে পারবেন। ইউরো ডলার এর বিপরীতে শক্তিশালী হলে, ইউরো বিক্রয় করে অধিক ডলার পেতে পারেন । এই ভাবে আপনি অনেক টাকা ঘরে বসে ফরেক্স এর মাধ্যমে ইনকাম করতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!